|

সন্তানকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ২৫ টি দৈনন্দিন ইসলামিক অভ্যাস

বাবা-মা হিসেবে আমাদের সবারই একটা সাধারণ স্বপ্ন থাকে, আমাদের সন্তান যেন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বড় হয়। আমরা চাই তারা জীবনে সফল হোক, তাদের চরিত্র হোক সুন্দর এবং তাদের জীবনযাপন হোক সঠিক মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে। বিশেষ করে আমরা যারা মুসলিম, আমাদের কাছে ইসলাম শুধু একটি ধর্ম নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। আমরা কীভাবে খাই, কী পরি, মানুষের সাথে কীভাবে মিশি সে সবকিছুরই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা ইসলামে দেওয়া আছে। তাই আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা ছোটবেলা থেকেই সেই সুন্দর ইসলামী মূল্যবোধ আর আদবের সাথে বেড়ে উঠুক।

কিন্তু এই কাজটা কি খুব সহজ? মোটেও না! একটি শিশুকে সঠিক পথে বড় করে তোলা অনেক ধৈর্যের ব্যাপার। আজকের এই ব্লগে আমরা ঠিক এই বিষয়টি নিয়েই কথা বলব।

এই লেখায় আমরা এমন ২৫টি দৈনন্দিন অভ্যাসের কথা জানব, যা আপনি আপনার সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই শেখাতে পারেন। সেই সাথে আলোচনা করব, কীভাবে কোনো রকম বকাঝকা ছাড়াই খুব সহজে এই অভ্যাসগুলো তাদের জীবনের অংশ করে তোলা যায়।

পুরো লেখাটি মন দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল, কারণ শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোর মাঝেই।

সন্তানকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ২৫টি দৈনন্দিন ইসলামিক অভ্যাস

ছোটবেলা থেকেই কেন অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি?

অনেকেই মনে করেন, “আরে, বাচ্চা তো এখনো অনেক ছোট! একটু বড় হোক, তারপর না হয় নিয়মকানুন শেখাব।” কিন্তু সত্যি বলতে, এই ধারণাটি একেবারেই ভুল। মনোবিজ্ঞান এবং আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা উভয় দিক থেকেই বলা হয় যে, শিক্ষার বীজ বপন করতে হয় একদম ছোটবেলাতেই। কাদা মাটি যখন নরম থাকে, তাকে আপনি যে আকার দেবেন, সে সেই আকারই ধারণ করবে। শুকিয়ে গেলে তাকে আর বদলানো যায় না।

ছোটবেলা থেকেই ভালো অভ্যাসগুলো গড়ে তুললে শিশুর ভেতরে বেশ কিছু চমৎকার পরিবর্তন আসে:

  • আল্লাহর প্রতি সচেতনতা: শিশুর মনে ছোটবেলা থেকেই এই বোধ তৈরি হয় যে, তাকে সবসময় একজন দেখছেন এবং তিনি হলেন মহান আল্লাহ।
  • জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা: তারা খুব স্বাভাবিকভাবেই বুঝতে শেখে যে পৃথিবীতে তাদের মূল কাজ হলো ভালো মানুষ হওয়া এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন করা।
  • সঠিক নৈতিকতা: এই অভ্যাসগুলো তাদের জন্য একটি নৈতিক মানদণ্ড বা ‘মোরাল কম্পাস’ হিসেবে কাজ করে। ভালো-মন্দের পার্থক্য তারা খুব সহজেই করতে পারে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: বর্তমান সময়ে যখন চারপাশে নানা রকম নেতিবাচকতা, তখন একজন আত্মবিশ্বাসী মুসলিম হিসেবে নিজের পরিচয় নিয়ে বড় হতে এই শিক্ষাগুলো তাদের দারুণ সাহায্য করে।

সন্তানের জন্য ২৫টি অবশ্য করণীয় দৈনন্দিন অভ্যাস

এখানে এমন ২৫টি ছোট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসের তালিকা দেওয়া হলো, যা আপনি আজ থেকেই আপনার সন্তানকে শেখানো শুরু করতে পারেন। মনে রাখবেন, এক দিনেই সব অভ্যাস তারা শিখে ফেলবে না। কিন্তু প্রতিদিন একটু একটু করে চেষ্টা করলে ইনশাআল্লাহ এগুলো তাদের স্বভাবের অংশ হয়ে যাবে।

১. ঘুম থেকে ডেকে তোলা ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া:

সকালে যে ব্যক্তি তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলছেন (হোক সে মা, বাবা বা অন্য কেউ), চোখ খুলেই যেন সে তাকে হাসিমুখে সালাম দেয়। এটি দিন শুরু করার সবচেয়ে সুন্দর উপায়।

২. ঘুম থেকে ওঠার দোয়া পড়া:

বাচ্চাদের শেখান যে রাতে আল্লাহ চাইলে আমাদের আর ঘুম নাও ভাঙতে পারত। তাই ঘুম ভাঙার পর ‘আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা…’ দোয়াটি পড়ে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

৩. ঘুম থেকে উঠে তিনবার হাত ধোয়া:

রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে আমাদের হাত কোথায় যায় তা আমরা জানি না। তাই ঘুম থেকে উঠে পরিষ্কার পানি দিয়ে তিনবার হাত ধোয়া একটি চমৎকার স্বাস্থ্যকর এবং সুন্নাহসম্মত অভ্যাস।

৪. রাতে ঘুমানোর আগে ওজু করা:

সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বিছানায় যাওয়ার আগে ওজু করে ঘুমানোর অভ্যাস শিশুদের ভেতর একটি পবিত্রতার অনুভূতি তৈরি করে।

৫. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা:

বয়স অনুযায়ী তাদের নামাজের প্রতি অভ্যস্ত করে তুলুন। শুরুতে হয়তো তারা শুধু আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে বা সেজদা করবে, কিন্তু এই দেখাদেখিটাই একসময় অভ্যাসে পরিণত হবে।

৬. সকাল-সন্ধ্যার জিকির বা দোয়া পড়া:

বাচ্চাদের ছোট ছোট কিছু জিকির শিখিয়ে দিন। সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় বা সন্ধ্যায় পড়তে বসার আগে এগুলো পড়ার অভ্যাস করান।

৭. প্রতিদিন সকালে অন্তত কয়েক লাইন কোরআন পড়া:

সকালবেলা কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে দিন শুরু করলে সারাদিন মন ভালো থাকে। খুব বেশি না হোক, প্রতিদিন ২-৩ লাইন পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৮. বাথরুমে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া পড়া:

বাথরুমে ঢোকার সময় বাম পা দিয়ে ঢোকা এবং দোয়া পড়া, আর বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হয়ে দোয়া পড়া এটি একটি অত্যন্ত জরুরি অভ্যাস।

৯. আয়নায় নিজেকে দেখার দোয়া:

শিশুরা আয়নার সামনে দাঁড়াতে খুব ভালোবাসে। আয়নায় নিজেকে দেখার সময় “আল্লাহুম্মা হাসসান্তা খালকি…” দোয়াটি শেখান, যাতে তারা নিজেদের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভেতরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে শেখে।

১০. বাসা থেকে বের হওয়ার দোয়া:

স্কুলে বা খেলতে যাওয়ার সময় বাসা থেকে বের হওয়ার দোয়াটি (বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ…) পড়ে বের হলে, তাদের মনে এই বিশ্বাস তৈরি হয় যে আল্লাহ তাদের রক্ষা করবেন।

১১. বাসায় ঢোকার দোয়া পড়া:

বাইরে থেকে ফিরে বাসায় ঢোকার সময় সালাম দেওয়া এবং দোয়া পড়ার অভ্যাস পরিবারে বরকত নিয়ে আসে।

১২. ঘরে প্রবেশের সময় আয়াতুল কুরসি পড়া:

এটি ঘরকে নিরাপদ রাখার একটি দারুণ উপায়। বাচ্চাদের শিখিয়ে দিন যেন তারা বাসায় ঢুকেই একবার আয়াতুল কুরসি পড়ে নেয়।

১৩. খাওয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা:

খাবার শুরু করার আগে অবশ্যই বিসমিল্লাহ বলা শেখান। কখনো ভুলে গেলে মাঝখানে মনে পড়ার সাথে সাথে কী পড়তে হয়, সেটাও শিখিয়ে দিন।

১৪. খাওয়া শেষে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা:

খাবার শেষে প্লেট পরিষ্কার করে খাওয়া এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আলহামদুলিল্লাহ বলা শেখান। এতে তাদের মনে খাবারের প্রতি সম্মান তৈরি হবে।

১৫. হাঁচি দিলে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা:

হাঁচি দেওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ বলার অভ্যাসটি একদম ছোটবেলা থেকেই শুরু করা যায়।

১৬. অন্যের হাঁচির উত্তরে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা:

আশেপাশে কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে, তার জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ আপনার ওপর রহম করুন) বলা শেখান।

১৭. জবাবে আবার ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহ…’ বলা:

কেউ ইয়ারহামুকাল্লাহ বললে, তার উত্তরে যে সুন্দর একটি দোয়া পড়তে হয়, সেটিও তাদের মুখস্থ করিয়ে দিন।

১৮. রাগ বা ভয় পেলে খারাপ কথার বদলে জিকির করা:

বাচ্চারা রাগ করলে অনেক সময় উল্টোপাল্টা কথা বলে ফেলে বা চিৎকার করে। তাদের শেখান যে রাগ উঠলে ‘আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ পড়তে হয়।

১৯. অবাক বা খুশি হলে সুবহানাল্লাহ বা আলহামদুলিল্লাহ বলা:

সুন্দর কিছু দেখলে ‘ওয়াও’ বলার পাশাপাশি ‘সুবহানাল্লাহ’ বা ‘মাশাআল্লাহ’ বলতে শেখান। দারুণ কোনো খবরে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলার চর্চা করান।

২০. জুতা পরার নিয়ম:

জুতা পরার সময় সবসময় ডান পায়ের জুতা আগে পরা এবং খোলার সময় বাম পায়ের জুতা আগে খোলার অভ্যাস করান। এটি খুব ছোট একটি কাজ হলেও দারুণ একটি সুন্নাহ।

২১. ডান হাতে খাওয়া ও পান করা:

পানি পান করা বা যেকোনো কিছু খাওয়ার সময় যেন তারা অবশ্যই ডান হাত ব্যবহার করে, সেদিকে কড়া কিন্তু স্নেহপূর্ণ নজর রাখুন।

২২. প্রতি নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়া:

বাচ্চা যখন নিজে নিজে নামাজ পড়া শুরু করবে, তখন তাকে শিখিয়ে দিন যে প্রতি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে জান্নাতে যাওয়ার পথ সহজ হয়।

২৩. ঘুমানোর আগে ৩ কুল এবং আয়াতুল কুরসি পড়া:

রাতে ঘুমানোর আগে সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস এবং আয়াতুল কুরসি পড়ে নিজের শরীরে ফুঁ দেওয়া শেখান। এটি তাদের দুঃস্বপ্ন বা ভয় থেকে দূরে রাখবে।

২৪. ঘুমানোর দোয়া পড়া:

সবশেষে চোখ বন্ধ করার আগে ঘুমানোর দোয়া (আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহয়া) পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

২৫. পোশাক পরার দোয়া ও নিয়ম:

জামা পরার সময় ডান দিক থেকে শুরু করা এবং পোশাক পরার ছোট দোয়াটি পড়ে নেওয়া শেখান।

(নোট: এই দোয়াগুলো খুব সহজেই ‘হিসনুল মুসলিম’ বা ‘মুসলিমদের দুর্গ’ নামক বইটিতে পেয়ে যাবেন। যেকোনো লাইব্রেরিতে বা অনলাইনে এটি সহজলভ্য।)

কীভাবে এই অভ্যাসগুলো সন্তানের মাঝে গড়ে তুলবেন?

তালিকা তো পেয়ে গেলেন, কিন্তু এগুলো শেখানো শুরু করবেন কীভাবে? চলুন কিছু বাস্তবসম্মত ও কার্যকরী উপায় জেনে নিই:

১. নিজেই তাদের ‘রোল মডেল’ বা আদর্শ হোন:

বাচ্চারা কানে শোনার চেয়ে চোখে দেখে বেশি শেখে। আপনি যদি চান আপনার সন্তান ডান হাতে পানি খাক, তবে আপনাকেও সবসময় ডান হাতেই পানি খেতে হবে। আপনি যদি চান সে রাগ নিয়ন্ত্রণ করুক, তবে আপনার নিজের রাগের সময়ও নিজেকে শান্ত রাখার দৃষ্টান্ত তাদের সামনে স্থাপন করতে হবে। বাচ্চারা হলো আয়নার মতো, তারা বাবা-মাকেই সবচেয়ে বেশি অনুকরণ করে।

২. ধাপে ধাপে শেখান এবং কারণ বুঝিয়ে বলুন (Explain the ‘Why’):

বাচ্চাদের কোনো কিছু শেখানোর সময় কখনোই বলবেন না যে “আমি বলছি, তাই তোমাকে এটা করতে হবে।” বরং তাদের কারণ বুঝিয়ে বলুন। কেন খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ বলতে হয়? কেন হাঁচি দিলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয়? এই ‘কেন’-এর উত্তরগুলো তাদের লজিক বা যুক্তি বুঝতে সাহায্য করে। কোনো দোয়াই এক দিনে মুখস্থ করানোর জন্য চাপ দেবেন না। একটা বড় দোয়াকে কয়েক ভাগে ভাগ করে প্রতিদিন একটু একটু করে শেখান।

৩. স্নেহের সাথে মনে করিয়ে দিন (Gentle Reminders):

বাচ্চারা স্বভাবতই ভুলে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। সকালে উঠে হয়তো সে ঘুম জড়ানো চোখে দোয়া পড়তে ভুলে গেছে। তখন তাকে বকা না দিয়ে হাসিমুখে বলুন, “আরে, আজকে সকালে মনে হয় আমরা একটা স্পেশাল কাজ করতে ভুলে গেছি! মনে আছে সেটা কী?” আপনার এই মিষ্টি কথায় সে নিজের ভুল বুঝতে পারবে এবং উৎসাহের সাথে সেটি করবে।

৪. ধারাবাহিকতা বা কনসিস্টেন্সি বজায় রাখুন:

যেকোনো অভ্যাস গড়ে তোলার সবচেয়ে বড় শর্ত হলো ধারাবাহিকতা। আপনি তিন দিন খুব কড়াকড়ি করলেন আর পরের এক সপ্তাহ কোনো খবরই রাখলেন না, এভাবে কোনো অভ্যাস তৈরি হয় না। যে নিয়মটি একবার চালু করবেন, সেটি প্রতিদিন মেনে চলার চেষ্টা করুন। কোরআন মুখস্থ করার পর যদি চর্চা না থাকে, তবে বড়রাও তা ভুলে যায়। বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ব্যাপার ঘটে।

৫. তাদের চেষ্টাকে পুরস্কৃত করুন (Reward the Effort):

বাচ্চারা প্রশংসা এবং ছোট ছোট পুরস্কার খুব পছন্দ করে। আপনার সন্তান যখন নিজে থেকেই একটা নতুন দোয়া মুখস্থ করে আপনাকে শোনাবে, তখন তাকে একটা ‘হাই-ফাইভ’ দিন, জড়িয়ে ধরে আদর করুন অথবা তার পছন্দের কোনো ছোট খাবার বানিয়ে দিন।

এই ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলো তাদের মনে আরও ভালো কাজ করার প্রেরণা জোগাবে। বড়রা যেমন জান্নাতের আশায় ইবাদত করে, ছোটদেরও তেমনি শুরুতে এরকম ছোট ছোট পুরস্কারের উৎসাহ প্রয়োজন হয়।

শেষ কথা

সন্তান লালন-পালন করা কোনো ১০০ মিটার স্প্রিন্ট দৌড় নয়, এটি একটি ম্যারাথন। এখানে শর্টকাট বলে কিছু নেই। অনেক ধৈর্য, ভালোবাসা আর আল্লাহর কাছে অবিরাম দোয়ার মাধ্যমেই কেবল আমরা আমাদের সন্তানদের একজন সুন্দর মনের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

উপরের এই ২৫টি অভ্যাস আপনার সন্তানের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠলে, আপনি নিজেই তাদের মাঝে এক চমৎকার ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আজ থেকেই শুরু করুন, হয়তো একটি মাত্র অভ্যাস দিয়ে। কে জানে, আপনার এই ছোট্ট একটি চেষ্টাই হয়তো আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের মজবুত ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে!

এই ব্লগ গুলোও পড়তে পারেন-

১) সন্তানকে মুমিন হিসেবে গড়ে তুলতে ছোটবেলার ইসলামিক অভ্যাস

২) আধুনিক প্যারেন্টিং এর খুঁটিনাটি

৩) বাংলাদেশে ৮৬% শিশু স্মার্টফোনে আসক্ত—আপনার সন্তান কি সেই তালিকায়?

Similar Posts